কুরআনের ধারক-বাহক হয়ে বাঁচতে চান হাফেজ আব্দুল মুক্তাদির
হাফেজ আব্দুল মুক্তাদির একযুগেরও বেশী সময় ধরে পবিত্র মাহে রমজানে সালাতুত তারাবির নামাজে ইমামতি করে আসছেন। ২০১০ সালে কুরআন হিফজের সবক শুরু করে ২০১২ সালে মাত্র দুই বছরে কুরআনের হাফেজ হন তিনি। বর্তমানে তিনি সিলেট নগরীর শেখঘাটস্থ ভাঙ্গাটিকর পাড়া, হাজী ভুরু মিয়া জামে মসজিদ তিনি খতমে তারাবির নামাজ পড়াচ্ছেন।
মহাগ্রন্থ কুরআনুল কারীম। মানবজাতীর চলার পথের গাইড লাইন। মুমিনদের আত্মার খোরাক। তেলাওয়াতে খুশি হয় মুমিনদের অন্তর। বাড়ে ঈমান। ঐশীগ্রন্থ। মহান আল্লাহর চিরন্তন বাণী। মিথ্যা ভুল ও সন্দেহের উর্ধ্বে এক মুজেজাপূর্ণ কিতাব। লাওহে মাহফুজে সংরক্ষিত কিতাব। হেরা গুহায় সূচনা যে কিতাবের। ‘ইকরা বিসমি’ তথা পড় তোমার রবের নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন মর্মার্থের পাঁচখানা আয়াতের বাহক ফেরেশতা জিবরাইল। প্রিয় রাসুল সা. ঠিকানা। কুরআন এক আলোর ফোয়ারা।
কুরআন মানব জাতির মুক্তির মানুষের পথ নির্দেশিকা। মুমিনের ইমানের চেতনা। মুত্তাকির জান্নাতের ঠিকানা। পথচলার সমাধান। কুরআনের মাস রমজান। এ মাসে কুরআন অবতীর্ণ হয়। তাইতো রমজান সম্মানিত। কুরআন ছোঁয়া লাগবে যে অন্তরে, সে অন্তর হবে নূরানী আলোয় আলোকিত। হবে সুরভিত। কুরআনের ছোঁয়ায় ঈমান হবে শাণিত। রোজায় কুরআনের সুর বাজে মুমিনের ঘরেঘরে।
তারাবির নামাজে পঠিত হয় কুরআন। প্রথম রমজান থেকে একাধারে ২৭ রোজা পর্যন্ত সিলেটের সকল মসজিদে মসজিদে হাফেজে কুরআনদের কণ্ঠে ধ্বনীত হয় খোদার বাণী। শীতল হয় মুসল্লিদের হৃদয়। এসকল হাফেযে কুরআনদের খেদমতে মুসল্লিরা মহান আল্লাহকে পাওযার আশায় থাকেন।
মাহে রমজানে তারাবির নামাজের ইমামতির দায়িত্ব পালন করা হাফেজে কুরআনদের নিয়ে নতুন শতাব্দীর দৈনিক শ্যামল সিলেটের বিশেষ আয়োজন ‘আলোর পরশমণি’। আজ আমরা হাফেজ আব্দুল মুক্তাদির এর কথা পাঠকদের সামনে তুলে ধরছি।
সিলেট নগরীর শেখঘাট এলাকার শুভেচ্ছো ১৩/ডি এর বাসিন্দা মৃত সাইদুর রহমান এর ছেলে হাফেজ আব্দুল মুক্তাদির ছোট থেকেই প্রখর মেধার অধিকারী। মহাগ্রন্থ আল কুরআনের জ্ঞানার্জনের মধ্যদিয়ে নিজের শিক্ষাজীবনের সূচনা করেন। এবং হাফেজ হওয়ার পর থেকেই কুরআনের খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে হাফেজ আব্দুল মুক্তাদির শ্যামল সিলেটকে বলেন, প্রথমত আমি রব্বে কারীমের দরবারে লাখোকোটি শুকরিয়া আদায় করছি যিনি আমাকের কুরআনের হাফেজ হওয়ার সৌভাগ্য দান করেছেন। এবং কুরআন নাজিলের মাসে নামাজের মাধ্যমে কুরআন তেলাওয়াত করার তৌফিক দান করেছেন। আমি আমার উস্তাদ ও মাবাবার কৃতজ্ঞতা আদায় করছি, কারণ তাদের মেহনত দোয়ার বদৌলতে আমার এ পর্যন্ত আসা। আমি চাই আমৃত্যু কুরআনের ধারক-বাহক হয়ে থাকতে।
