ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রয়োজন সচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলন: সিসিক প্রশাসক
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেবল সিটি করপোরেশনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, এর জন্য প্রয়োজন নগরবাসীর সম্মিলিত সচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলন। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নগরবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণই ডেঙ্গু মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের সচেতনতামূলক র্যালির উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এসব কথা বলেন।
নগর ভবন প্রাঙ্গণ থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। র্যালি শেষে প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন।
তিনি বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশন নিয়মিত মশক নিধন এবং এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে বাড়ি বাড়ি অভিযান চালাচ্ছে। কিন্তু নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া এই মশা নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন। এডিস মশা সাধারণত জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা, ছাদ ও বারান্দা নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগামী তিন মাস প্রতি শনিবার ধারাবাহিকভাবে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালন করা হবে। সিসিক এই কর্মসূচি সফল করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে।
নগরবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা অভিযানকে কেবল সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব হিসেবে না দেখে একে সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করুন। প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হলে এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখলে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা সম্ভব।
র্যালিতে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, লাইসেন্স অফিসার রুবেল আহমদ নান্নু, জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থসহ করপোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। অভিযানে নাগরিকদের যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলারও অনুরোধ জানানো হয়।

