আজীবন কুরআনের খেদমত করতে চান হাফেজ ছামী
২০ বছরের টগবগে তরুণ হাফেজ মো. আবু জাহিদ ছামি ২০২৩ সাল থেকে খতমে তারাবির ইমামতি করে আসছেন। নববী কন্ঠে কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে মুসল্লিদের হৃত্মিক ভালবাসা অর্জন করেছেন।
সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার পুরান তেতলী গ্রামের শেখ আবুল মিয়া'র ছোট ছেলে হাফেজ মো. আবু জাহিদ ছামি ২০০৫ সালের ১৭ জুন জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে সে মাদরাসার নবম শ্রেণির ছাত্র।
মহাগ্রন্থ কুরআনুল কারীম। মানবজাতীর চলার পথের গাইড লাইন। মুমিনদের আত্মার খোরাক। তেলাওয়াতে খুশি হয় মুমিনদের অন্তর। বাড়ে ঈমান। ঐশীগ্রন্থ। মহান আল্লাহর চিরন্তন বাণী। মিথ্যা ভুল ও সন্দেহের উর্ধ্বে এক মুজেজাপূর্ণ কিতাব। লাওহে মাহফুজে সংরক্ষিত কিতাব। হেরা গুহায় সূচনা এ কুরআন। ইকরা বিসমি দিয়ে সূচনা। বাহক ফেরেশতা জিবরাইল। প্রিয় রাসুল ঠিকানা। কুরআন এক আলোর ফোয়ারা। হেরার জ্যোতি।
কুরআন মানব জাতির মুক্তির মানুষের পথ নির্দেশিকা। মুমিনের ইমানের চেতনা। মুত্তাকির জান্নাতের ঠিকানা। পথচলার সমাধান । কুরআনের মাস রমজান। এ মাসে কুরআন অবতীর্ণ হয়। তাইতো রমজান সম্মানিত। কুরআন ছোঁয়া লাগবে যে অন্তরে, সে অন্তর হবে উদ্ভাসিত। হবে সুবাসিত সুরভিত। কুরআনের ছোঁয়ায় ইমান হবে শাণিত। হবে তেজদ্বীপ্ত। আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'যারা ইমানদার তারা যখন আল্লাহর নাম নেয়, নরম হয় তাদের অন্তর। আর যখন তাদের সামনে কুরআন পাঠকরা হয়, তাদের ঈমান সজিব হয়ে উঠে। তারা মাওলা প্রেমে আত্মনিবেদিত হয়। সুরা আনফাল: ২
রোজায় কুরআনের সুর বাজে মুমিনের ঘরে ঘরে। তারাবির নামাযে পঠিত হয় কুরআন। পহেলা রোযা থেকে একাধারে ২৭ রোযা পর্যন্ত সিলেটের সকল মসজিদে মসজিদে হাফেযে কুরআনদের কণ্ঠে ধরণীত খোদার বানী। শীতল হয় মুসল্লিদের হৃদয়। এসকল হাফেযে কুরআনদের খেদমতে মুসল্লিরা মহান আল্লাহকে পাওযার আশায় থাকেন।
মাহে রমজানে তারাবির নামাজের ইমামতির দায়িত্ব পালন করা হাফেজে কুরআনদের নিয়ে নতুন শতাব্দীর দৈনিক শ্যামল সিলেটের বিশেষ আয়োজন ‘আলোর পরশমণি’। আজ আমরা হাফেজ মো. আবু জাহিদ ছামি’র কথা পাঠকদের সামনে তুলে ধরছি।
হাফেজ ছামী বলেন কুরআন এমন এক কিতাব যার হেফাজতকারী স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা। আমি আমার মাতাপিতা ও উস্তাদদের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও দুয়ার বদৌলতে আমি হাফেজ হতে পেরেছি। আমি চাই আজীবন কুরআনের ধারক-বাহক হয়ে উম্মাহর খেদমত করতে।
