বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ | ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বিশেষ আয়োজন
    • সিলেট
    • জাতীয়
    • নাগরিক সংবাদ
  • ভিডিও
  • বিজ্ঞাপন
  • যোগাযোগ
  • ফেসবুক
  • ই-পেপার
Shyamal Sylhet Logo
  • আজকের পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • সম্পাদকীয়
    • খেলাধুলা
  • বিশেষ প্রতিবেদন
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • ফিচার
  • সিলেট
    • সিলেট জেলা
    • মৌলভীবাজার
    • সুনামগঞ্জ
    • হবিগঞ্জ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • স্পেশ্যাল ভিজ্যুয়াল
    • খবর
    • ফিচার
    • নিউজ ফ্ল্যাশ
  • আরো
    • নাগরিক সংবাদ
    • প্রবাসে সিলেট
    • চাকরির খোঁজে
    • সারা বাংলা
    • শিক্ষাঙ্গন
    • প্রযুক্তি
    • খবর
    • নিউজফ্ল্যাশ
    • জীবনযাপন
    • ইসলাম
    • অর্থ-বাণিজ্য
    • শিল্প-সাহিত্য
    • গনমাধ্যম
    • মুখোমুখি
    • ভিডিও
    • বর্ষপূর্তি সংখ্যা
    • বিশেষ সংখ্যা
    • ফিচার
    • মুক্তমত
  1. প্রচ্ছদ
  2. বিশেষ প্রতিবেদন
  3. বিস্তারিত
'ভয়ঙ্কর' দুই গুপ্ত হত্যা

টাকার জন্য খুন ডালিম, শম্ভুর খুনী কে?

সরেজমিন জৈন্তাপুরের ঘাটেরচটি

মো. নাসির উদ্দিন

প্রধান প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪ মার্চ ২০২২, ১৭:০৬ |

জৈন্তাপুরে ঘাটেরচটি গ্রামে নৃশংস দুই হত্যাকাণ্ড ভাবিয়ে তুলেছে এলাকার মানুষকে। দুই কিলোমিটারের মধ্যে একদিনের ব্যবধানে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধারের আতঙ্ক ছড়িয়েছে জনমনে। নিতান্তই প্রয়োজন ছাড়া সন্ধ্যার পর ঘরমুখো থাকছেন মানুষজন। শহর ঘেষা উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের ঘাটেরচটি গ্রামে সন্ধ্যা নামার পর যেনো আতঙ্ক জাগানিয়া এক জনপদে পরিণত হয়।      

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, এ ধরণের নৃশংস হত্যাকাণ্ড এরআগে কখনো দেখেননি তারা। কে বা কারা, কি জন্য এমন নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে, তার কিনারা করতে তদন্তে করছে পুলিশ।

ঘটনার অনুসন্ধানে নামে শ্যামল সিলেট টিমও। ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও নিহত ডালিমের বাড়ি ঘুরে স্বজন ও এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পাওনা টাকার জেরেই খুন হন ঘাটেরচটি নয়াটিলা গ্রামের  বাচ্চু মিয়ার ছেলে সদ্য বিবাহিত ডালিম আহমদ (২২)। হত্যার পর তাকে মাটিচাপা দেওয়া হয় স্থানীয় ওয়ালি সিটি আবাসিক প্রকল্পের একটি জমিতে।

ডালিম আহমদকে হত্যার পর এখানেই লাশ পুঁতে রাখা হয়।ছবি: আজমল আলী।

 

নিহত ডালিমের সম্পর্কীয় মামা স্থানীয় বাসিন্দা হারুনুর রশিদ ঘটনাস্থল দেখিয়ে বলেন, এখান থেকেই ডালিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ৫ মার্চ থেকে ডালিম নিখোঁজ হয়। সে ভাল ছেলে ছিল। এলাকার কারো সঙ্গে তার সমস্যা ছিল না। এখানে ভাড়া থাকেন কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা ফজর আলীর কাছে কাজ বাবদ ৫ হাজার টাকা পাওনা ছিল। ওই রাতে টাকা দেওয়ার তারিখ ছিল। আর ৫ তারিখ রাতেই সে নিখোঁজ হয়।

দেখা গেছে, ঘটনাস্থলের পাশেই একটি খালি প্লট পরে নির্জন একা বাসায় ভাড়া থাকতেন ফজর আলী (৩৫) নামের ব্যক্তি। তিনি সেনানীবাস এলাকায় এসআইএনটিতে চাকুরী করেন।

 হারুনুর রশিদ বলেন, হত্যার পর আমরা ফজর আলীকে সন্দেহ করি। তাকেই ধরে নিয়েছে পুলিশ। তার হাত কাটা ছিল। ফজর আলীর মা পুলিশকে বলেছেন, তার ছেলে নাকি ডালিমকে বাঁচাতে গিয়ে হাত কেটেছে। তার ধারণা, ফজর আলীর কাছে টাকা চাওয়ার কারণেই ডালিম খুন হয়েছেন। এটা এখন স্পষ্ট হচ্ছে। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে বলেন, যে খুন করছে, তার সঠিক বিচার চাই।  

তিনি বলেন, দেওছড়া মৎস খামার থেকে উদ্ধারকৃত মরদেহটি জিহ্বায় কামড় দেওয়া ছিল।পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর চেহারা চেনা যাচ্ছিল না। যে কারণে ডালিম ভেবে ওই মরদেহ দাফন করা হয়। পরে জানা গেছে, ওই লাশটি ডালিমের ছিল না, অন্য কারো। কারণ আমরা জানতাম না, আরেকটি লাশ মিলবে! কিন্তু সেও দেখতে অবিকল ডালিমের মতো। ডালিমের পরনেও হাফ পেন্ট পরা ছিল।      

খুন হওয়া ডালিমের বাবা বাচ্চু মিয়া বলেন, ৫ মার্চ সকালে তার ছেলে পাশ্ববর্তী ঠাকুরের মাটি গ্রামে শ্বশুড় বাড়িতে যায় বিয়ের অনুষ্ঠানে। সামান্য বিষয় নিয়ে শ্বশুড় বাড়ির লোকজনের সঙ্গে ঝগড়াও হয়। স্ত্রীকে সেখানে রেখে বিকাল ৩টার দিকে বাড়িতে চলে আসে। এরপর আসরের দিকে রাজমিস্ত্রী কাজে যায়। ঠিকাদার মোহাম্মদের কাজ হেড মিস্ত্রি আব্দুল্লার সঙ্গে কাজে যায়। যেহেতু রাতের কাজ, তাই খবর নেইনি। ৬ তারিখ কাজের স্থলে গিয়ে জানতে পারি রাত ৮টার দিকে একটি ফোন আসে। রায়হান নামে একটি ছেলেকে বলে যায়, কেউ খুঁজলে বলতে ১০ মিনিটের জন্য বাইরে গেছি। ওই ফোনকল পেয়ে কাজ ফেলে গিয়ে আর ফিরে আসেনি ডালিম।  

ডালিম হত্যার পর ফজর আলী ঘরে তালা। ছবি: মো. একরাম হোসেন।

 

ওই রাত ১১টার দিকে তিনি আবার কাজের স্থলে গিয়ে ঠিকাদারকে বলেন, আপনারা সব আছেন, আমার ছেলে কোথায়? তখন তারা জানায়, সে ১০ মিনিটের কথা বলে কর্মস্থল থেকে গিয়ে আর ফিরে আসেনি।  এরপর তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন এবং ছেলেকে খুঁজতে থাকেন। তার মোবাইলটি এখনো পাওয়া যায়নি।

বাচ্চু মিয়া বলেন, অভাবের সংসার। তার ছেলে কাজ থেকে আসার পর রাতে ফজর আলী নির্মিতব্য নতুন বাড়িতে মাটি ভরাটের কাজ করতো। ফজর আলী তার কাজের টাকা না দিয়ে জমিয়ে রাখে। এরপর ৫ মার্চ রাতে ফজর আলী তাকে পাওনা ৫ হাজার টাকা দেওয়ারও আশ্বাস দিয়েছিল, সেকথা তার মা আয়মনা বেগমকেও বলে যায়। এরপর তিনি ৬ তারিখ রাতেই থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন এবং ছেলেকে খুঁজতে থাকেন। তার মোবাইলটি এখনো পাওয়া যায়নি। এরপর ৭ তারিখও তিনি থানায় যান। এরপর হাওরে দিঘির মধ্যে মরদেহ পাওয়ার বিষয়টি গ্রামের একজনের মাধ্যমে জানতে পারেন। আমরা সবাই সেখানে যাই। ওই ছেলেটার দেহ আমার ছেলের সঙ্গে মিল ছিল। কিন্তু যখন মুখমন্ডল দেখতে যাই, তখন খুবই বিকৃত অবস্থায় দেখতে পাই। যেহেতু আমার ছেলে নিখোঁজ তাই এটাই আমার ছেলের মরদেহ ভেবে ময়না তদন্ত শেষে এনে দাফন করি। পুলিশও বলে মরদেহ বিকৃত হয়ে গেছে। ৮ মার্চ মরদেহ দাফন করে বাড়িতে ফিরে আসার পর সন্ধ্যার দিকে জানতে পারি ওখানে আরেকটি লাশ পাওয়া গেছে। নিবিড় নামে একটি ছেলে মসজিদের পাশে প্রশ্রাব করতে বসে বিদ্যুতের খুঁটিতে রক্ত দেখতে পেয়ে সকলকে জানায়। এরপর পুলিশকে জানাই। আগের লাশ উদ্ধারস্থলে সিআইডির লোকজনও ঘটনাস্থলে গিয়ে সূত্র ধরে মরদেহ বের করে।

তিনি বলেন, অভিযুক্ত ফজর আলীর বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোনে জমিতে মাটিতে পুঁতা ছিল লাশটি, তার একটি হাত শিয়ালে খেয়ে ফেলেছে। এটিই আমার ছেলের লাশ। পরে সেটি সিআইডিও তার ফিঙ্গার নিয়ে নিশ্চিত হলে আমরা লাশ এনে দাফন করি।  

কান্না থামছে না ডালিমের স্বজনদের। ছবি: মো. একরাম হোসেন।

 

নিহতের মা আয়মনা বিবি বলেন, আমার একমাত্র উপার্জনক্ষম ছেলেটিকে ওরা মেরে ফেলেছে। সে দিনরাত কাজ করে সংসার চালাতো। নিখোঁজের পর ছেলের শ্বশুড় বাড়িতেও সন্ধান করি। তার শ্বশুড় আবুল কালাম বলেন, ছেলেতো চলে গেছে। নিখোঁজ জানার পর তারা ছেলের বৌকে নিয়ে আসে পরদিন।

তিনি বলেন, প্রথম লাশটি উদ্ধারের পর আমাকে দেখানো হয়নি। তখন বার বার জ্ঞান হারাচ্ছিলাম। আমার ছেলেকে কারা মেরেছে জানিনা। তবে ফজর আলীর বাড়িতে তার ছেলে মাটি কাজ করতো। তার কাছে ৫ হাজার টাকা পায়। ৫ মাস হয়, টাকা দিচ্ছিলো না, শুধু তারিখ করে। ওই টাকা আনতে গিয়ে ছেলে নিখোঁজ হয়। মাত্র ৭ মাস আগে ছেলেকে বিয়ে দেন। তার সোনার সংসার তছনছ হয়ে গেলো। তিনি সন্তান হত্যাকারীদের বিচার দাবি করেন।   

এরআগে শম্ভু দেবনাথ (২৪) নামে কানাইঘাট উপজেলার লামা ঝিঙ্গাবাড়ির শৈলেস চন্দ্র নাথের ছেলে গত শুক্রবার (৪ মার্চ) গরু চরাতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন। পরদিন শনিবার (৫ মার্চ) তার মামা সেনানীবাস সংলগ্ন সোয়াবহর গ্রামের বাসিন্দা পরিমল দেবনাথ শাহপরান (র.) থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। গত সোমবার (৭ মার্চ) জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের ঘাটেরচটি এলাকায় তারেক হাজির মৎস খামার থেকে পরিচয়হীন মরদেহ উদ্ধারকালে এটি নিখোঁজ ডালিমের মরদেহ বলে দাবি করেন স্বজনরা। পুলিশও ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ ডালিমের ভেবে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর ইসলামিক রীতি অনুসারে তার দাফনও করা হয়।

আর শনিবার (৫ মার্চ) চিকনাগুল ইউনিয়নের ঘাটেরচটি নয়াটিলা গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে রাজমিস্ত্রী ডালিম আহমদ (২২)। ডালিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয় স্থানীয় ওয়ালিসিটির একটি খালি প্লটে মাটি চাপা অবস্থায়। পরবর্তীতে সেটি ডালিমের মরদেহ ফিঙ্গার প্রিন্ট নিয়ে সনাক্ত করে সিআইডি।

ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা গেছে, স্থানীয় মসজিদ সংলগ্ন খুঁটিতে রক্তের দাগ। এরপর জমিতে বিভিন্ন স্থানে রক্তের ছোপ রয়েছে। সেগুলো খুঁটি দিয়ে সনাক্ত করে রেখেছে পুলিশ। আর মরদেহ পুঁতে রাখা হয়েছিল বিদ্যুতের খুঁটি সংলগ্ন জমির আইলের পাশে। পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা দুর্বৃত্তরা স্থানীয় মসজিদের পাশ থেকেই তাকে আঘাত করতে করতে নিয়ে যায় এরপর মাটিচাপা দেয়। যেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার হয়, সেই স্থানের খানিকটা দূরেই গ্রেফতারকৃত ফজর আলীর বাসা। যে বাসায় ভাড়া থাকেন তিনি (ফজর আলী)।  

এই রক্তের সুত্র ধরে মসজিদ সংলগ্ন এমআর হাউজিংয়ের জমিতে মাটি চাপা অবস্থায় ডালিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।রাত ২টার দিকে মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ সুরতহাল করে। সুরতহালে উঠে আসে হত্যার প্রাথমিক বর্ণনা। ডালিমকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। দেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল। মাটির খুঁড়ে মস্তক বিচ্ছিন্ন পাওয়া যায়। পুলিশের ধারনা দুর্বৃত্তরা ডালিমকে গলা কেটে, হাত-পায়ের রগ ও কোমর কেটে হত্যার পর মাটিচাপা দিয়ে রাখে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ছোরাও জব্দ করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়না তদন্তে শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হলে প্রকৃত ডালিমের মরদেহ স্বজনরা নিয়ে দাফন করেন।

এদিকে, মাছের খামার থেকে উদ্ধার হাত-পা বাধা মরদেহটি শাহপরান এলাকা থেকে নিখোঁজ শম্ভু দেবনাথের সনাক্ত করা হয়। তাকে নিখোঁজ ডালিম আহমদ ভেবে মরদেহ উদ্ধার করে দাফন করা হয়। ৪দিন পর শুক্রবার তার মরদেহ কবর থেকে তুলে সৎকারের জন্য স্বজনরা নিয়ে যান।  

সিলেট জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. লুৎফর রহমান বলেন, মৎস খামার থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি ছিল শম্ভু দেবনাথের।আমরা তা পরে নিশ্চিত হতে পেরেছি। কিন্তু ডালিমের স্বজনরা মরদেহ তাদের স্বজনের বলে ময়না তদন্তের পর নিয়ে দাফন করেন। মরদেহ পচে গলে যাওয়ায় সনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছিল না। কেবল ধারণা থেকে তারা সেটি ডালিমের মরদেহ বলে দাবি করেছিলেন। তবে হাউজিংয়ের জমি থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহ রাজমিস্ত্রী ডালিম আহমদের। উভয় মরদেহ সনাক্ত হয় ফিঙ্গার প্রিন্টে।

তিনি বলেন, তিনি বলেন, উভয় ঘটনায় জৈন্তাপুর থানায় পৃথক হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত শম্ভু দেবনাথের ভাই অজ্ঞাত আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আর নিহত ডালিমের বাবা বাচ্চু মিয়া বাদি হয়ে অপর হত্যা মামলাটি দায়ের করা হয়। ওই মামলায় ফজর আলী (৩৫) নামে ওই এলাকার এক যুবককে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রিমাণ্ডে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার তাকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমাণ্ড আবেদন করলে বিচারক ৪ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে, এসএমপির শাহপরান (র.) থানার (ওসি-তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য বলেন, শম্ভু দেবনাথ অত্র থানাধীন বটেশ্বর সেনানীবাস সংলগ্ন সোয়াবহর এলাকায় মামার বাড়িতে থাকতেন ১৬ বছর ধরে। এখানে তিনি গরু চরানোর কাজ করতেন। গত ৪ মার্চ গরু নিয়ে বেরিয়ে গেলেও আর ফিরে আসেননি। তার নিখোঁজের ঘটনায় শম্ভুর মামা পরিমল দেবনাথ থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন।পরে তার মরদেহ ঘাটেরচটি তারেক হাজির মৎস খামারে পাওয়া গেছে জানতে পেরেছেন। 

শেয়ার করুন শেয়ার

সর্বশেষ

সিলেটের ৫ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন

জেলা প্রশাসকের সাথে ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদের মতবিনিময়

সিলেটের ৫ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন করতে মন্ত্রণালয়ে জেলা প্রশাসকের চিঠি

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কূটনৈতিক উদ্যোগ

হজ যাত্রীদের জন্য ৩ স্তরে প্যাকেজ ঘোষণা হাব’র

সিলেটে নকল লেবেলে চলছিল চিপস উৎপাদন, প্যাকেটজাত!

পরিবহন শ্রমিক নেতা ময়নুল ও রাজনের নির্দেশে দুই শ্রমিককে হত্যা

গোলাপগঞ্জে আসছেন এনসিপির শীর্ষ নেতারা

বাকস্বাধীনতার নামে যা ইচ্ছা তাই বলা যাবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

কানাইঘাটে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সুমাইয়া ফেরদৌসের যোগদান

বিশেষ প্রতিবেদন এর আরো খবর

সিলেটে কাটেনি বন্যার শঙ্কা, হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজারে পানিবন্দি অর্ধলক্ষ মানুষ
গরমে হাঁসফাঁস সিলেটের জনজীবন
নগরীতে টিলাকেটে আবাসন প্রকল্প
সিলেটও ফুটবল উন্মাদনা
Logo

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

মিরাবাজার, সিলেট-৩১০০, বাংলাদেশ

ইমেইল: [email protected]

ইমেইল: [email protected]

ফোন: +৮৮ ০১৭১২০৩৫৫৭৭

সম্পাদক ও প্রকাশক :
অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান

নির্বাহী সম্পাদক : আবদুল মুকিত

নিউজরুম
[email protected]
+৮৮ ০১৭১৮৩৫০৯০০, +৮৮ ০১৭১৮১৯৭৫৭৬

মার্কেটিং
[email protected]
+৮৮ ০১৭৮২৮৭৭০৯৮

সকল খবর আপনার ইনবক্সে

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমরা

𝕏

Privacy Policy


পোর্টাল তৈরি ও তত্ত্বাবধানে - আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.
 শিরোনাম
সিলেটের ৫ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন জেলা প্রশাসকের সাথে ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদের মতবিনিময় সিলেটের ৫ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন করতে মন্ত্রণালয়ে জেলা প্রশাসকের চিঠি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কূটনৈতিক উদ্যোগ হজ যাত্রীদের জন্য ৩ স্তরে প্যাকেজ ঘোষণা হাব’র সিলেটে নকল লেবেলে চলছিল চিপস উৎপাদন, প্যাকেটজাত! পরিবহন শ্রমিক নেতা ময়নুল ও রাজনের নির্দেশে দুই শ্রমিককে হত্যা গোলাপগঞ্জে আসছেন এনসিপির শীর্ষ নেতারা বাকস্বাধীনতার নামে যা ইচ্ছা তাই বলা যাবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী কানাইঘাটে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সুমাইয়া ফেরদৌসের যোগদান
VARIFY reCAPTCHA