সরকারের সীমিত সম্পদকে আমাদের সদ্ব্যবহার করতে হবে: সারওয়ার আলম
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সারওয়ার আলম বলেছেন, ‘স্কুল যেন একটা বিনোদনের জায়গা হয়। এটা যেন কোনোভাবেই বাচ্চার কাছে বোঝার কেন্দ্র না হয়। সিলেটে আমরা একটা প্রোগ্রাম নিয়েছিলাম, সেটা হলো যে প্রত্যেকটি ইউনিয়নে একটা করে মডেল স্কুল করা। শুরু হয়েছিল। এখন চলমান। তাই আপনাদেরও অনুরোধ করবো, প্রত্যেকটা ইউনিয়নে যেন একটা প্রাইমারি স্কুলকে মডেল স্কুল করা হয়। সেটার কালার থাকবে ভিন্ন ভিন্ন। দোলনা থেকে শুরু করে সব ধরনের রাইড (খেলার সামগ্রী) থাকবে সেখানে। যেন বাচ্চারা সকালে খেলাধুলা করার জন্য স্কুলে যায়। খেলতে খেলতে যেন বাচ্চারা পড়ালেখা শিখে।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে কিশোরঞ্জের পাকুন্দিয়ায় কিন্ডারগার্টেন এ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত বৃত্তিপ্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এখন বাচ্চাদের ক্ষুধা লাগে না। তাদের শরীর থেকে ঘামই বের হয় না। তারা খেলাধুলা করার জায়গা পায় না, সময় পায় না। কাঁধে সারাক্ষণ বইয়ের বোঝা থাকে। কাজেই আমি ইউএনওকে অনুরোধ করবো এডিপি এবং টিআর বরাদ্দ থেকে যেন স্কুলের মাঠগুলোকে ঠিকঠাক করা হয়। যাতে বাচ্চারা খেলাধুলা করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, সরকার শিক্ষা খাতে যে বাজেট দেয়, সেখান থেকে মানসম্মত মানুষ বের হয় না। সরকারের সীমিত সম্পদকে আমাদের সদ্ব্যবহার করতে হবে। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নয়, ছেলে মেয়েদের মানবিক গুণাবলীবোধ সম্পন্ন হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আমরা চাই আমাদের বাচ্চারা দক্ষ জনগোষ্ঠী হিসেবে বেড়ে উঠুক। দেশ ও দেশের বাইরে সুনাম অর্জন করুক। ভালো মানুষ হিসেবে পরিবার, দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করুক।

