ব্যবসায়িক বিরোধে বিএনপি নেতা আফম কামালকে হত্যা
বিএনপি নেতা আ ফ ম কামালকে ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় এক নেতা জড়িত বলেও ধারণা পুলিশের। এরই মধ্যে জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছাত্রদলের দুই নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার আজবাহার আলী শেখ বলেন, ‘নিহত কামালের ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসা ছিল। ব্যবসা নিয়ে নগরীর কয়েকজনের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জেরে ১৫ অক্টোবর নগরীর জিন্দাবাজার এলাকার আল মারজান শপিং সেন্টারের সামনে দুই পক্ষের হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।
‘হাতাহাতির পরদিন কামালসহ কয়েকজনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন বিএনপি নেতা আজিজুর রহমান সম্রাট। নগরীর বড়বাজার এলাকার বাসিন্দা এই সম্রাট। আজকের হত্যাকাণ্ড ওই এলাকাতেই ঘটেছে। আমরা ধারণা করছি, ব্যবসাসংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে।’
একাধিক সূত্র জানায়, আফম কামাল আম্বরখানা লাহিন এয়ার ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে লোকজনকে বিদেশে পাঠানোর কাজেও জড়িত ছিলেন। এ ঘটনায় ভোক্তভোগীকে সৌদি পাঠানোর নামে সাড়ে ৩লাখ টাকা পাওনা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধে ২১ অক্টোবর আজিজুর রহমান সম্রাট কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার এজাহারনামীয় ৪ নং আসামি ছিলেন আফম কামাল। মামলায় কামালসহ ১০জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৫/৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।
একাধিক সূত্র জানায়, আফম কামাল আম্বরখানা লাহিন এয়ার ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে লোকজনকে বিদেশে পাঠানোর কাজেও জড়িত ছিলেন। এ ঘটনায় ভোক্তভোগীকে সৌদি পাঠানোর নামে সাড়ে ৩লাখ টাকা পাওনা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধে ২১ অক্টোবর আজিজুর রহমান সম্রাট নামে লামাকাজির এক ব্যক্তি কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার এজাহারনামীয় ৪ নং আসামি ছিলেন আফম কামাল। মামলায় কামালসহ ১০জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৫/৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। ওই ঘটনার জেরেও হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে কিনা, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
রোববার রাত ৯ টার দিকে নগরীর আম্বরখানা বড়বাজার এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে খুন হন সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক এবং ল'কলেজের সাবেক জিএস আ ফ ম কামাল।
নিহত আফম কামাল (৪২) সদর উপজেলার জালালাবাদ থানাধীন আলীনগর পালপুরের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে ও নগরীর বালুচর এলাকার বাসিন্দা। তিনি এক সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য মিজানুর রহমান মিজানের অনুসারী ছিলেন।
বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল জাকির বলেন, ‘রোববার রাতে বড়বাজার এলাকায় নিজের প্রাইভেটকারে বসা ছিলেন কামাল। এ সময় মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এমএজি ওসমানী মেডিক্যালে নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়।’

