শায়খে কাতিয়ার সাহেবজাদা মাওলানা ইমদাদুল্লাহ আমিনীর দাফন সম্পন্ন
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম অলইতলী ও কাতিয়া মাদরাসার প্রবীণ মুহতামিম, প্রখ্যাত আলেম শায়খে কাতিয়া হযরত মাওলানা আমিন উদ্দীন (রহ.)-এর সুযোগ্য বড় সাহেবজাদা হাফেজ মাওলানা হাজী ইমদাদুল্লাহ আমিনী (রহ.)-এর নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কাতিয়া মাদরাসা মাঠে হাজারো মানুষের অশ্রুসিক্ত উপস্থিতিতে তাঁকে শেষ বিদায় জানানো হয়।
গত বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সিলেট নগরীর আল-হারামাইন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল এবং তিনি ৪ ছেলে ও ৪ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
শনিবার সকাল থেকেই মরহুমকে শেষবারের মতো এক নজর দেখার জন্য ও জানাজায় শরিক হতে মাদরাসা মাঠ ও এর আশপাশের এলাকায় মানুষের ঢল নামে। জানাজায় অংশ নেন সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ, জামায়াতের এমপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট ইয়াসিন খান, উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক আবু হোরায়রা সাদ মাস্টার, প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন আহমদ, উপজেলা জামায়াতের সভাপতি মাওলানা লুৎফুর রহমান ও সেক্রেটারি আফজাল হোসাইনসহ সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ। এছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত আলেম-ওলামা, মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের তাওহিদী জনতা জানাজায় শরিক হন।
জানাজাপূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তারা মরহুমের বর্ণাঢ্য জীবন ও ইসলামি শিক্ষায় তাঁর অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করেন। তাঁরা বলেন, মাওলানা ইমদাদুল্লাহ আমিনী (রহ.)-এর ইন্তেকালে ইসলামি অঙ্গনে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি হলো। তিনি আজীবন দ্বীন প্রচার ও মাদরাসার প্রসারে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন।
জানাজা শেষে মাদরাসার পশ্চিম পাশে অবস্থিত পারিবারিক কবরস্থানে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মরহুমের দাফন সম্পন্ন হয়। তাঁর মৃত্যুতে জগন্নাথপুরসহ পুরো অঞ্চলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন
