দিরাইয়ে জলমহালে মাছ লুটের অভিযোগ
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় একটি ইজারাকৃত জলমহালে অনধিকার প্রবেশ করে মাছ লুটপাট ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় গোলজার মিয়া নামের এক ব্যক্তি দিরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দিরাই থানাধীন ৩নং রাজানগর ইউনিয়নের রাজানগর মৌজার অন্তর্ভুক্ত ‘কছমা প্রুপ বন্ধ জলমহাল’ ভরারগাঁও মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির অনুকূলে ১৪৩০ বাংলা সন থেকে ১৪৩৫ বাংলা সন পর্যন্ত ছয় বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে। ইজারা পাওয়ার পর থেকে সমিতির লোকজন জলমহালটি রক্ষণাবেক্ষণ ও মাছ সংরক্ষণ করে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত বছরের ১৩ অক্টোবর একটি সংঘবদ্ধ দল জলমহালে প্রবেশ করে প্রায় সাত লাখ টাকার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় দিরাই থানায় মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ভরারগাঁও মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি গোলজার মিয়া বলেন, পূর্বের ওই ঘটনার পর চলতি বছরও একই ব্যক্তিরা পুনরায় জলমহালের মাছ লুটপাটের চেষ্টা করে আসছিলেন।
রোববার সকাল ৬ টার দিকে শাল্লা উপজেলার আটগাঁও গ্রামের মৃত মিয়াফর মিয়ার ছেলে জুনেদ মিয়ার নেতৃত্বে দেড় শতাধিক লোক কয়েকটি নৌকাযোগে দেশীয় অস্ত্র ও বিভিন্ন ধরনের মাছ ধরার জাল নিয়ে জলমহালে প্রবেশ করে মাছ ধরতে শুরু করেন। এ সময় প্রায় ছয় লাখ টাকার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরে নিয়ে যায়।
এতে বাঁধা দিলে অভিযুক্তরা অভিযোগকারী ও সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গোলজার মিয়া নিরাপত্তা ও আইনগত প্রতিকার চেয়ে দিরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।
