নারীর ক্ষমতায়নের অন্তরায় দূর করতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন: সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক
সুনামগঞ্জে নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষার চ্যালেঞ্জসমূহ চিহ্নিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত একটি সামাজিক নিরীক্ষার ফলাফল উপস্থাপিত হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) ও এফ্যারটস ফর রুরাল এডভ্যান্সমেন্ট (ইরা)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই ফলাফল তুলে ধরা হয়।
‘সাম্য ও সমতার বাংলাদেশ: জনগণের অংশগ্রহণে টেকসই উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এই সভায় সুনামগঞ্জ সদর, তাহিরপুর, দোয়ারাবাজার ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় নারী শিক্ষা ও কর্মদক্ষতা উন্নয়নের প্রতিবন্ধকতা এবং নাগরিকদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ, সহকারী কমিশনার সাকিবুর রহমান এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান বলেন, প্রান্তিক নারীদের উন্নয়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। সামাজিক নিরীক্ষার মাধ্যমে যে সীমাবদ্ধতাগুলো উঠে এসেছে, সেগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
পরে তিনি পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন এবং তাদের সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় নিরীক্ষার ফলাফল উপস্থাপন ও আলোচনায় অংশ নেন সিপিডি’র সিনিয়র রিসার্চার ও প্রকল্প কোঅর্ডিনেটর ড. দ্বিজেন মল্লিক, প্রকল্প পরামর্শক মোজাহিদুল ইসলাম, মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন অ্যাসোসিয়েট মো. জাওয়াদুল করিম, ইরা-এর প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মো. কামরুজ্জামান এবং ইরা-এর ফিল্ড কোঅর্ডিনেটর মিজ তৃপ্তি দে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ড দূতাবাস, কানাডাস ফরেন পলিসি (জিএসি) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) যৌথ সমর্থনে এবং জিএফএ কনসাল্টিং গ্রুপের সহযোগিতায় সিপিডি এই কার্যক্রমটি পরিচালনা করছে। অনুষ্ঠানে সিটিজেনস গ্রুপের সদস্য ও কমিউনিটি ভলান্টিয়ারসহ স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
বিকল্প শিরোনাম:
