জৈন্তাপুরে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়
জৈন্তাপুর উপজেলার সবকটি পশুর হাটে কোরবানির পশুর সংকট দেখা দিয়েছে। মাত্র কয়েক দিন আগেও অনেক সাশ্রয়ী মূল্যে গরু ক্রয় করতে দেখা গেছে।
শেষ মূহুর্তে এসে ২৭ মে বুধবার দুপুরের পর থেকে এই সংকট দেখা গেল। কোন রকম কোরবানি দেওয়ার জন্য পছন্দ নয় এমন গরুও পাচ্ছেন না ক্রেতারা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে জৈন্তাপুর উপজেলা সদর, দরবস্ত বাজার, হরিপুর বাজার, আসামপাড়া বাজার এবং চিকনাগুলের অস্থায়ী পশুর হাট সহ প্রায় সবকটি বাজারেই শেষ মূহুর্তে এসে কোরবানির পশুর সংকট দেখা দিয়েছে।
এতে চরম বিপাকে পড়েন কোরবানি দিতে ইচ্ছুক ক্রেতারা। অনেক কে এক বাজার থেকে অন্য বাজারে ছুটাছুটি করতে দেখা যায়। হঠাৎ বাজার খালি হয়ে যাওয়ার মত এই প্রভাব পড়ার কারন জানতে স্হানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারগুলোতে স্হানীদের পাশাপাশি সিলেট শহরের অধিকাংশ ক্রেতা কোরবানির পশু ক্রয় করেন। বিশেষ করে চিকনাগুল বাজারের বেশির ভাগ ক্রেতাই সিলেট শহরের। তার পর তারা চলে আসে হরিপুর, দরবস্ত এবং সর্বশেষ জৈন্তাপুর উপজেলা সদরের বাজারে।
যোগাযোগ ব্যাবস্হা ভালো হওয়ায় এবং বৃহত্তর বাজার হিসেবে বুধবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত জৈন্তাপুরের বাজারগুলোতে পার্শ্ববর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাটের ক্রেতাদের উপস্থিতি দেখা গেছে।
তবে গরুর সংকট ছাড়া বাজারগুলোর নিরাপত্তা সহ সার্বিক পরিস্থিতি ভালো ছিল। উপজেলা প্রশাসন এবং জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ সার্বক্ষনিক বাজার মনিটরিং করতে দেখা গেছে। বাকি সময়টুকুও হাট বাজারগুলোতে নির্বিঘ্ন কোরবানির পশুর ক্রয়-বিক্রয় চলবে এটাই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা।
