শাবিতে লোকপ্রশাসন বিভাগে নতুন বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বগ্রহণ
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) লোকপ্রশাসন বিভাগে নতুন বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করেছেন অধ্যাপক ড. ফাতেমা খাতুন। তিনি সদ্য সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ সিদ্দিকীর জায়গায় স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) নতুন বিভাগীয় প্রধানের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ সিদ্দিকী।
বিদায়ী বিভাগীয় প্রধান ড. আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, শিক্ষার্থীদের গুণগত ও সময়োপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করতে সকল শিক্ষকদের নিয়ে একযোগে কাজ করার চেষ্টা করেছি। লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, সাংস্কৃতিক ও গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করতে আমরা সবসময় চেষ্টা করেছি।
তিনি বলেন, আমার দায়িত্বকালীন গত ৩ বছরে বিভাগ নতুন করে ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করেছি। এতে বিভাগের জন্য পুরো ফ্লোর বরাদ্দ নেওয়া, বিভাগীয় প্রধানের রুম সাজানো, ক্লাসরুম সংস্কার, পর্দা, লাইট ও এসি লাগানো, নতুন চেয়ার-টেবিল ও ডেস্ক ক্রয়, প্রতিটি শিক্ষকের জন্য রুম বরাদ্দ দিয়ে লাইটিং, রং ও পর্দা লাগানো, শিক্ষকদের জন্য ল্যাপটপ বরাদ্দ, শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব তৈরি, খেলাধূলার সরঞ্জাম ক্রয় ও নামাজের জন্য রুমসহ ইত্যাদির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি সবসময় চেষ্টা করেছি শিক্ষা ও গবেষণায় আমাদের বিভাগকে একটি আদর্শ বিভাগ হিসেবে রূপান্তরিত করতে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সে লক্ষ্যে কাজ করেছি। আমি আশাবাদী আমার পরবর্তী যিনি দায়িত্বে এসেছেন তিনিও এ বিভাগকে এগিয়ে নিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করে যাবেন।
নতুন বিভাগীয় প্রধান ড. ফাতেমা খাতুন বলেন, বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন উন্নয়নে পূর্বের ধারা অব্যাহত রেখে কাজ করে যেতে চাই। এতে বিভাগের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।
দায়িত্ব হস্তান্তরকালে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন, লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ারা বেগম, অধ্যাপক ড. ইসমত আরা, অধ্যাপক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল হোসাইনী, সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ সামিউল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক কানিজ ফাতেমা, সহকারী অধ্যাপক সাবিনা ইয়াসমিন, সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, সহকারী অধ্যাপক মো. জহির উদ্দিন, প্রভাষক মো. আব্দুল বাসিতসহ বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন দায়িত্বগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে লোকপ্রশাসন সমিতির উদ্যোগে এক বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। এসময় লোকপ্রশাসন বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
