বিছনাকান্দি সীমান্তে অপরাধ দমনে ৪৮ বিজিবির জনসচেতনতা মূলক সভা
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি সীমান্তে অপরাধ দমন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জনসচেতনতা মূলক সভা করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সিলেট ব্যাটালিয়ন( ৪৮ বিজিবি)।
রোববার( ২৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৭ টার দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি সীমান্ত ফাঁড়ি সংলগ্ন বগাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ৪৮ বিজিবির আয়োজনে প্রায় চার শতাধিক মানুষের উপস্থিতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট ব্যাটালিয়ন( ৪৮ বিজিবির) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নুর উদ্দিন আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন সিলেট ব্যাটালিয়ন ৪৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক আবদুল আল মূয়ীদ।
সভায় সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার ও চোরাচালানের বিভিন্ন ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতনতা সতর্কতা মূলক পরামর্শ দেওয়া হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট ৪৮ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নুর আহমেদ বলেন, সীমান্ত এলাকায় শান্তি - শৃঙ্খলা বাজায় রাখা, চোরাচালান ও সীমান্তবর্তী অপরাধ দমন এবং জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক,অবৈধ পন্য পাচার এবং অন্যান্য অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ আমাদের সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন,সীমান্তে সংঘটিত অপরাধ দমনে শুধু বিজিবির একার পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব নয়।এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, যুবসমাজসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্ত এলাকায় অপরিচিত ব্যক্তির সন্দেহজনক চলাফেরা, চোরাচালান কিংবা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য পাওয়া গেলে তা দ্রুত বিজিবিকে জানাতে হবে।
তিনি স্থানীয় জনগনের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, আপনারা আইন মেনে চলুন,অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকুন এবং সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবিকে সহযোগিতা করুন।আপনাদের সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধ মুক্ত এলাকা গড়ে তুলা সম্ভব। জনগনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বদা সজাগ ও দায়িত্বশীল রয়েছে।
অনুষ্ঠিত সভায় বিজিবির সদস্য, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও প্রায় চার শতাধিক মানুষজন উপস্থিত ছিলেন। এধরণের জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।
