মাধবপুরে জেলা পুলিশের ‘শ্রেষ্ঠ পূজামণ্ডপ’ বণিক বাড়ি
নান্দনিক প্রতিমা নির্মাণ, দৃষ্টিনন্দন মণ্ডপসজ্জা ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার স্বীকৃতিস্বরূপ হবিগঞ্জ জেলা পুলিশের ‘শ্রেষ্ঠ পূজামণ্ডপ—প্রথম’ সম্মাননা অর্জন করেছে মাধবপুরের বণিক বাড়ি (কানাই ভিলা) শারদীয় দুর্গোৎসব। প্রথমবার আয়োজনেই মাধবপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের এই মণ্ডপটি জেলার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করায় স্থানীয় বাসিন্দা ও আয়োজকদের মাঝে বইছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।
জানা গেছে, স্থানীয় লোকজনের আন্তরিক তত্ত্বাবধান ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবারই প্রথম বণিক বাড়িতে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়। শুরু থেকেই প্রতিমা নির্মাণ, নিরাপত্তা, নান্দনিক আলোকসজ্জা এবং সার্বিক শৃঙ্খলায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। এসব কার্যক্রমের মূল্যায়ন করে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মণ্ডপটিকে প্রথম স্থান অর্জনের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
এ অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে পূজার সার্বিক তত্ত্বাবধায়ক রবিন বণিক বলেন, “প্রথমবারের মতো আয়োজন করেই এমন বড় স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের। এই অর্জন স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, আন্তরিকতা ও সহযোগিতার ফল। আমরা চেষ্টা করেছি একটি পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের।” তিনি হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও সম্প্রীতি বজায় রেখে এমন আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এদিকে শারদীয় দুর্গোৎসবে সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহযোগিতা করায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ।
তিনি বলেন, “পূজার সার্বিক পরিস্থিতি, আয়োজনের নান্দনিকতা এবং জনমতের ভিত্তিতে আয়োজকদের উৎসাহিত করতেই এ ধরনের সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। এটিকে শুধু একটি মণ্ডপের অর্জন নয়, বরং সব আয়োজকের ভালো কাজের অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখা উচিত।” ধর্মীয় উৎসবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখতে পুলিশ সবসময় জনগণের পাশে থাকবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।
স্থানীয়দের মতে, জেলা পুলিশের এই ইতিবাচক উদ্যোগ আয়োজকদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করবে। যা ভবিষ্যতে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা, নান্দনিকতা এবং উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
