কমলগঞ্জে ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ সমাজসেবক আব্দুল মুমিন আলালের ইন্তেকাল
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কুমড়াকাপন এলাকার বাসিন্দা, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও উপজেলা জামায়াতের সাবেক রুকন মো. আব্দুল মুমিন আলাল আর নেই। সোমবার (৮ জুন) বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটে নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ সোমবার রাত ৯টা ৩০ মিনিটে সফাত আলী সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
আব্দুল মুমিন আলাল এলাকায় ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। তিনি কেবল একজন রাজনৈতিক কর্মীই ছিলেন না, বরং অসহায় মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে কাজ করেছেন। অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার জন্য তিনি ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ। কোনো ব্যক্তি অসুস্থ হওয়ার খবর পেলেই তিনি ঢাকা, সিলেট ও মৌলভীবাজারের বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সাথে যোগাযোগ করে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতেন। অনেক ক্ষেত্রে তিনি নিজেই রোগীদের সঙ্গে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসার তদারকি করতেন।
তাঁর মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়লে কুমড়াকাপনসহ পুরো উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্থানীয়রা জানান, আব্দুল মুমিন আলাল ছিলেন অত্যন্ত নম্র, সৎ ও পরোপকারী একজন মানুষ। রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি সবার বিপদে পাশে দাঁড়াতেন। তাঁর মৃত্যুতে সমাজ এক জনহিতৈষী ব্যক্তিত্বকে হারালো।
এদিকে, তাঁর মৃত্যুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী তাঁর মানবসেবার স্মৃতিচারণ করে আবেগঘন বার্তা দিচ্ছেন।
