কোম্পানীগঞ্জে পুলিশি অভিযানে সাড়ে ৮৬ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য ও ওষুধ জব্দ, আটক ২
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের পৃথক দুটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাই পণ্য ও ওষুধসামগ্রী জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এসব ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে এক অভিযানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এক চোরাকারবারি পালিয়ে যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. উছমান গনীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়নের বটেরতল গ্রামে অভিযান চালায়। অভিযানে এসআই জগৎজ্যোতিসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়। এ সময় ওই গ্রামের মৃত লাল মিয়ার বাড়ির বারান্দায় বিশেষ কৌশলে রাখা ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ লেখা ২৯টি কার্টনে থাকা বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় ওষুধ উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮৪ লাখ টাকা।
ঘটনাস্থল থেকেই চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত দুইজনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন—কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পারুয়া কালা সাদেক গ্রামের ময়না মিয়ার ছেলে মাহমুদুল হাসান রাব্বি (২২) এবং বটেরতল গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে সারোয়ার জাহান (৩০)।
এর আগে অপর এক অভিযানে, উপজেলার ভোলাগঞ্জ গুচ্ছগ্রাম এলাকায় রুবেল মিয়া নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আনুমানিক ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে অভিযুক্ত রুবেল মিয়া পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. উছমান গনী জানান, সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাচালান প্রতিরোধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তারই অংশ হিসেবে এই দুটি সফল অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আটককৃত দুজনসহ পলাতক আসামির বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া চলছে। চোরাচালানবিরোধী এ ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

