কুলাউড়ায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব শওকতুল ইসলাম শকু বলেছেন, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর নাম ভবিষ্যতে মীর জাফর ও এজিদের মতো গালিতে পরিণত হবে। মানুষ যেভাবে মীর জাফর বললে বেইমান বোঝে, তেমনি পাটোয়ারী নামটিও ঘৃণাভরে স্মরণ করবে। এর একমাত্র কারণ তার অশ্রাব্য ভাষা ও অগ্রহণযোগ্য আচরণ।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুলাউড়া উপজেলা বিএনপি আয়োজিত দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি শকু আরও বলেন, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কোনো অন্যায়ে বিশ্বাস করে না। আমরা সুশৃঙ্খল রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। এ দেশে যতবারই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে, তা বিএনপির নেতৃত্বেই হয়েছে। দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই গণতান্ত্রিক ধারা সমুন্নত রাখতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি।
উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল জামালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজলের পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক রেদওয়ান খান, সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এস এম জামান মতিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ চৌধুরী, সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান মনির ও আলমগীর হোসেন ভুঁইয়া।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কমর উদ্দিন আহমদ কমরু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ময়নুল হক বকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুক্তাদির মনু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিয়ান আহমদ, আব্দুল মুক্তাদির মুক্তার, দেলোয়োর হোসেন ও সাবেক ছাত্রদল নেতা নজরুল ইসলাম খান।
এছাড়াও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের মধ্যে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জুবের আহমদ খান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক কাওসার আহমদ নিপার, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মুহিত বাবলু, পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মুসা আহমদ সুয়েট, যুগ্ম আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম রাজন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক রেজাউল আলম ভুঁইয়া খোকন, সদস্য সচিব গিয়াস মোল্লা, ছাত্রদলের আহবায়ক সুলতান আহমদ টিপু, সদস্য সচিব সাইফুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক তানজিল হাসান খান, যুগ্ম আহবায়ক মাসুদ রানা, পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুল ইসলাম আতিক এবং কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক হাবিবুর রহমান টিপুসহ কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন থেকে আসা হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে এক বিশাল বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহর প্রদক্ষিণ করে। র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্থানীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয় এবং সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
