বিয়ানীবাজারে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ, দুটিকে অর্থদণ্ড
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে এবার বিয়ানীবাজারে গড়ে ওঠা অবৈধ প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অ্যাকশন শুরু হয়েছে।
প্রথমদিন সোমবার (৩০ মে) বিকেলে পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে পৌর শহরের দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে বন্ধ করে দেয়া হয় এবং একটি ক্লিনিক ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৪ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশিক নুর। এ সময় তাকে সহযোগিতা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. দেলোয়ার হোসেন সুমন, স্যানেটারি ও ফুড সেফটি কর্মকর্তা হারুণ রশীদ, ডা. তানভীরুল ইসলাম এবং থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল।
অভিযানকালে কাগজপত্রে অনিয়ম থাকায় দি এইড প্যাথলজি সেন্টার, দি মেডি এইড ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে সিলগালা করা হয়। এছাড়া ইউনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও দি নিউ জেনারেল হাসপাতালকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশিক নূর দৈনিক শ্যামল সিলেটকে বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক বিয়ানীবাজারেও অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় অর্থদণ্ড করা হয়, নিবন্ধন না থাকা ও পরিবেশ ভালো না থাকায় দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। কাগজপত্র ঠিক থাকলে পরবর্তীতে নিয়ম মোতাবেক খুলে দেয়া হবে। এক্ষেত্রে সঠিক কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. দেলোয়ার হোসেন সুমন বলেন, শুধুমাত্র নিবন্ধন নয়, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিবেশ খুবই নগন্য যা রোগীদের জন্য উপকারী নয়।এজন্য দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ রাখা হয়েছে। একটি ক্লিনিক ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানাও করা হয়েছে।
