টাওয়ার হ্যামলেটসের স্পিকার ব্যারিস্টার মুস্তাক আহমদকে সংবর্ধনা
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম বলেছেন, সমাজে গুণীজনদের যথাযথ মূল্যায়ন ও সম্মান প্রদর্শন করলে নতুন প্রজন্ম ভালো কাজে উজ্জীবিত হয়। গুণীদের পদচারণায় আলোকিত হয় সমাজ তথা গোটা দেশ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার জালালপুর ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে লন্ডন বারা অব টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের স্পিকার ব্যারিস্টার মুস্তাক আহমদকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘মরহুম ফজলুর রহমান মেম্বার স্মৃতি ফাউন্ডেশন’ এ বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা সভার আয়োজন করে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার সালাম আরও বলেন, যুক্তরাজ্যের বাঙালি অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি এলাকা। ব্যারিস্টার মুস্তাক আহমদ সেখানকার একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। প্রবাসের মাটিতে বারবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর স্পিকারের মতো গুরুদায়িত্ব অর্জন করা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এমন একজন কৃতি সন্তানকে সম্মান জানানোর জন্য তিনি আয়োজক ফাউন্ডেশনের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের স্পিকার ব্যারিস্টার মুস্তাক আহমদ বলেন, জালালপুরের সন্তান হিসেবে আজ এলাকাবাসীর এই সম্মান ও ভালোবাসায় আমি নিজেকে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান ও গর্বিত মনে করছি। এলাকার মানুষের এই ঋণ কোনোদিন শোধ করার মতো নয়।
মরহুম ফজলুর রহমান মেম্বারের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, এলাকার সর্বজনশ্রদ্ধেয় এই মানুষটি ছিলেন আমার চলার পথের অনুকরণীয় আদর্শ। তিনি আজীবন নিঃস্বার্থভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন।
তাঁর স্মৃতি ও আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখতে ফাউন্ডেশন গঠনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান তিনি।
জালালপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান মাসুকের সভাপতিত্বে এবং ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাংবাদিক খালেদ আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সালিস ব্যক্তিত্ব এম এ শহীদ পংকি, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান, শিক্ষাবিদ আখলাকুল আম্বিয়া বাতিন, অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম, এনামুল কবির ও শাহজাহান চৌধুরী সাজু প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

