শাল্লায় পাওনা টাকা নিয়ে চেয়ারম্যান ও মেম্বারের হাতাহাতি, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় দোকানের পাওনা টাকা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের ভেতরেই চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যের (মেম্বার) মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। ৩নং বাহাড়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ঘটা এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। দুই পক্ষই বর্তমানে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাওনা টাকা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ চৌধুরী নান্টু ও ইউপি সদস্য সহদেবের মধ্যে এই হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদে নরেন্দ্র মেম্বার, আলমাছ মেম্বারসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উপস্থিত অন্যরা এসে পরিবেশ শান্ত করার চেষ্টা করেন।
ঘটনার বিষয়ে বাহাড়া ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ চৌধুরী নান্টু অভিযোগ করেন, আমি অফিসে দাপ্তরিক কাজ করছিলাম। এমন সময় মেম্বার সহদেব অফিসে ঢুকে অতর্কিতভাবে আমাকে কিলঘুষি মারতে থাকেন। একজন জনপ্রতিনিধির ওপর এ ধরনের হামলা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সহদেব পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, চেয়ারম্যানের কাছে আমার দোকানের পাওনা টাকা ছিল। আমি সেই টাকা চাইতে গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং তাঁর আত্মীয়-স্বজনসহ আমাকে মারধর করে অফিস থেকে বের করে দেন।
এ বিষয়ে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুজ্জামান বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
