কমলগঞ্জে ৩ দিন ব্যাপী মণিপুরী লাই হরাউবা উৎসব শুরু ২৩ এপ্রিল
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আদমপুরের তেতইগাঁও গ্রামে মণিপুরী কালচারাল কমপ্লেক্সে ৩ দিন ব্যাপী হরাউবা’ উৎসব শুরু হবে ২৩ এপ্রিল।
অনুষ্ঠানে বিষয়বস্তু তুলে ধরে ২০ এপ্রিল (রবিবার) বিকালে কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে করেন আয়োজক কমিটি। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন লাই হরাউবা স্টারিং কমিটির সদস্য সচিব ওইমান লানথৈই, উপস্থিত ছিলেন আহব্বায়ক শ্যামল ইবুংহাল, সদস্য রবি কিরণ রাজেশ ।
লিখিত বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশি মনিপুরীদের বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ‘লাই হরাউবা’কে সংরক্ষণ ও লালন বিকাশে এগিয়ে এসেছে ইউনেস্কো, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, আইজিসিসি, পৌরৈ অপোকপা মরুপ, সাধনা, কনসোর্টিয়াম অব আইসিএইচ, বাংলাদেশ। মণিপুরী লাই হারাওবার উদযাপন একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় উদ্যোগের অংশ।
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এবং কনসোর্টিয়াম ফর আইসিএইচপিডিয়া, বাংলাদেশ-এর একটি দুই বছর মেয়াদী প্রকল্প,যা ইউনেস্কো ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ (আইসিএইচ) ফান্ড আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত।
‘লাই হারাওবা’ মণিপুরী স¤প্রদায় সহনশীলতা ও বহুত্ববাদের চেতনায় লালিত বাংলাদেশের বর্ণময় সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে আমাদের অবদান প্রদর্শন করে। আরো বলেন,লাই হরাউবা হলো মণিপুরী জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রাচীন ও তাৎপর্যপূর্ণ উৎসব। এর আক্ষরিক অর্থ হলো ‘দেবতাদের আনন্দ উৎসব’।
এটি সৃষ্টি, দিব্য সত্তা, বিশ্বতত্ত্বা এবং সম্প্রীতির এক গভীর উদযাপন, যা প্রকাশিত হয় জটিল ও অনন্য ধারাবাহিক আচার-অনুষ্ঠান, ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীত, মন্ত্র পাঠ (লাইপৌ) এবং মাইবী জাগোই-এর মতো স্বতন্ত্র নৃত্যশৈলীর মাধ্যমে।
আয়োজক কমিটি বলেন, উৎসবটি চিরাচরিত রীতি ও প্রথাগত ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এই উৎসব মণিপুরী সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক পরিচয়ের প্রাণকেন্দ্র, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে হস্তান্তরিত হয়ে।
