বড়লেখায় চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারসহ গ্রেফতার ৪
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে চুরি হওয়া প্রায় ৪০০ মিটার বৈদ্যুতিক তার উদ্ধারসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) অভিযান চালিয়ে সিলেটের বিয়ানীবাজার থানা এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন- সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার থানার কাচারীবাগ এলাকার রিপন আহমদের ছেলে রাফি (২০), দিনাজপুর জেলার বিরল থানার কাশীভাঙ্গা এলাকার মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. সোহেল রানা, একই থানার সিংগুল এলাকার জেনারুল ইসলামের ছেলে কামরুল হাসান মিলন এবং কুলিল্লা জেলার ভাঙ্গা থানার মুকলেছপুর এলাকার আনিছুর রহমানের ছেলে মো. জুয়েল আহমদ (২৮)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বড়লেখার উত্তর চৌমুহনী এলাকায় শাহবাজপুর রোডের ব্রিজসংলগ্ন ফয়েজ মেম্বারের ঘর ভাড়া করে বৈদ্যুতিক তার ও বিভিন্ন মেরামত মালামাল সামগ্রী মজুদ রেখে পল্লী বিদ্যুতের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ পরিচালনা করে আসছিল মেসার্স এম আলগমীর নামের একটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান।
১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টা থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার মধ্যে কোনো একসময় অজ্ঞাতনামা চোরেরা ওই মজুদঘরের সামনে খোলা জায়গায় রাখা পিডিবি ডক মার্লিন, আইটেম নম্বর-ডি ২৭ মডেলের প্রায় ৪০০ মিটার বৈদ্যুতিক তার চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ২০ সেপ্টেম্বর বড়লেখা থানায় ৩৭৯ ধারায় পেনাল কোড ১৮৬০ অনুযায়ী একটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলা দায়েরের পর পলাতক আসামিদের গ্রেফতার ও চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শেখ কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে এএসআই সন্তোষ কুমার বিশ্বাস ও এএসআই কাওছার আহমদসহ পুলিশের একটি দল বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করে। পরে তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে সিলেটের বিয়ানীবাজার থানা এলাকা থেকে চারজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এসময় তাদের হেফাজত থাকা প্রায় ৪০০ মিটার বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত তারের আনুমানিক বাজার মূল্য ১ লাখ ৯৪ হাজার টাকা।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তার চারজনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
