শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন সম্পন্ন
ফের সভাপতি সোহেল, সম্পাদক সাজিদুল
সুনামগঞ্জ জেলা সিএনজি চালিত অটো রিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ নং চট্রঃ ১৬৯৩/৯৩) এর প্রধান কার্যালয় গোবিন্দগঞ্জের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পছন্দের প্রার্থীর প্রতিকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ভোটাররা। ভোট কেন্দ্র ছিল গোবিন্দগঞ্জের তিনটি কমিউনিটি সেন্টার। ভোট গ্রহণ ও গণনা শেষে রাত ৯টার দিকে আনুষ্ঠানিক ভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফারুক আহমদ। এসময় সহকারী নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
ফলাফলপত্র তথ্য অনুযায়ী ৪হাজার ৪শত ২২জন ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৩হাজার ২শত ৫৪জন। এখানে ১১টি পদের বিপরীতে প্রার্থী ছিলেন ২২জন।
সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি সোহেল আহমদ (চেয়ার) প্রতিকে ১হাজার ৭শত ৪৮ ভোট পেয়ে টানা দ্বিতীয় বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক সভাপতি আপ্তাব উদ্দিন (চাকা) প্রতিকে ১হাজার ৪৩৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় বারের মতো পরাজিত হয়েছেন। কার্যকরি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন তিনজন প্রার্থী। মোশাহিদ আলী (আপেল) প্রতিকে ১হাজার ২৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আমির হোসেন (ছাতা) পেয়েছেন ৯২০ ভোট ও ইমাম উদ্দিন (ডাব) পেয়েছেন ৮৪১ ভোট। সহ-সভাপতি পদে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে বাই সাইকেল প্রতিকে বাচ্চু মিয়া ১হাজার ৩৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জাহেদ মিয়া (রিকশা) ৯৪৩ ও ওয়াতির আলী (মোরগ) ৭৯৬ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সাজিদুল ইসলাম (আনারস) ১হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইজ্জাদ আলী (মোটরসাইকেল) ১হাজার ৩৬ ভোট পেয়ে পরাজয় বরণ করেন। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে শামছুল ইসলাম সামু (দেওয়াল ঘড়ি) ২হাজার ৯৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী আমিনুর রহমান জনি (মই) পেয়েছেন ৯৭৫ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ১হাজার ৮৬৩ ভোট পেয়ে খসরু মিয়া (কলস) বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী দুলন মিয়া (টিউবওয়েল) পেয়েছেন ১হাজার ১২৭ ভোট। কোষাধ্যক্ষ পদে রাসেল আহমদ (মাছ) ১হাজার ৫৭১ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আবদুল কাদির (তালা চাবি) পেয়েছেন ১হাজার ৪৬৭ ভোট। প্রচার সম্পাদক পদে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হাছির উদ্দিনকে নির্বাচিত করা হয়েছে।
এছাড়া কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে (চশমা) প্রতিকে ১হাজার ২৯৫, অলিউন নবী (ঘোড়া) প্রতিকে ১হাজার ২৮১ ও লোকমান হোসেন (ফুটবল) প্রতিকে ৯২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
